Women and Children

ঋতুস্রাব – লজ্জা নয়,বরং প্রয়োজন সচেতনতা!

আমাদের দেশে,এমনকি পৃথিবীর অনেক জায়গায় এখনো পিরিয়ড /মাসিক/ ঋতুস্রাবকে অনেকটা রোগের মতো দেখা হয়। ৮-১৩ বছরের মধ্যে সাধারণত মেয়েরা যখন প্রথম  ঋতুবতী হয় তারা অনেকটা মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে যায়।সঠিক শিক্ষার অভাবে তারা আতংকিত হয়। তবে আমাদের বুঝতে হবে মাসিক কোন রোগ নয়,সুস্থ শরীরের স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া, সৃষ্টিকর্তার রহমত। বিজ্ঞানের ভাষায় সহজে ব্যাখ্যা করে বলি।

মাসিক বা পিরিয়ড কি?

প্রতি মাসে মেয়েদের জরায়ুর রক্ত আর টিস্যু গুলো যখন যোনিপথে বেরিয়ে আসে তখন তাকে ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড বলে।

কেন হয়?

 ঋতুচক্র বা Menstruation cycle  প্রতিমাসে একবার হয় সাধারণত শরীরকে গর্ভাবস্থার জন্য রেডি করতে। মেয়েদের দেহে দুইটা ডিম্বাশয় থাকে,প্রত্যেকটাতে অনেকগুলো ছোট ছোট ডিম্বাণু থাকে যা খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব। এস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্টেরন হরমোন ডিম্বাণুগুলোকে পরিণত করে এবং সম্পূর্ণ পদ্ধতি চালায়। মাসিকের মধ্যিসময়ে ডিম্বাণু পরিণত হলে হরমোনগুলো ডিম্বাশয়কে ডিম্বক ছেড়ে দেয়ার সংকেত পাঠায়।পরিণত ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে বেরিয়ে ফেলোপিয়ান টিঊব দিয়ে(ডিম্বোস্ফুটন বা ovulation বলে) ইউটেরাসের দিকে চলে আসে। এসময় ব্লটিং, স্পোটিং,তল্পেটের একপাশে ব্যথা হতে পারে।এস্ট্রোজেন হরমোন ইউটেরাসের আস্তরণকারী পর্দা বা linings কে ভারী আর স্পোঞ্জী করে প্রেগন্যান্সির জন্য। Ovulation এর পরে প্রোজেস্টেরন হরমোন উৎপাদন হয় যা জরায়ু বা ইউটেরাসকে প্রেগন্যান্সির জন্য তৈরি করে, endometriumকে স্থিতিশীল রাখে যাতে নিষিক্ত ডিম্বক ধারণ করতে পারে। ডিম্বক ইউটেরাইন ওয়ালে গিয়ে হরমোন প্রডিউসিং প্লাসেন্টা(Hormone producing placenta)তৈরি করে, কিন্তু শরীরে স্পার্ম সেলের অনুপস্থিতি অর্থাৎ গর্ভাবস্থার হরমোন তৈরি না হয়,কোন সংকেত না পেয়ে প্রোজেস্টেরন আর এস্ট্রোজেন হরমোন এর পরিমাণ কমতে শুরু হয়।এইভাবে হরমোন এর পরিমান কমার কারণে এন্ডোমেট্রিয়াম খসে পড়ে,Prostaglandin হরমোন উৎপাদন হয় যা ইউটেরাসের সংকোচন বাড়িয়ে দেয়,ফলে রক্তসহ এন্ডোমেট্রিয়াম টিস্যু যোনিপথে বের হয়ে আসে। এটাই হচ্ছে মাসিক বা পিরিয়ড!!!

সাধারণ পরিসর:

 *২৪-৩৮ দিন পর পর একবার

*৪-৮ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়

*সাধারন রক্তক্ষরণ ৫-৮০মিলি (৬ টেবিলস্পোন পর্যন্ত), তার বেশি হলে হেভি মেন্সট্য়েশন বলা হয়ে থাকে।ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া ভালো। মাপার জন্য মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।

*৩-১৬টি রেগুলার প্যাড বা ট্যাম্পন লাগতে পারে পরিমানভেদে।

*খাবার,পানির পরিমাণ,পরিবেশগত প্রভাব,শারীরিক গঠন,অন্য কোন সমস্যা বা ওষুধ সেবনের কারণে পরিমাণে কম বেশী হতে পারে।

পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য সচেতনতা:

১-ন্যাপকিন ব্যবহারে অবশ্যই Lowest absorbance rate অর্থাৎ যেসব প্যাড কম সময় ব্লিডিং ধরে রাখে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত শোষণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্যাডগুলো বেশিক্ষন ব্যবহারে সাধারণত সংক্রমনের পরিমান বাড়িয়ে দেয়।

২-নিজের সুবিধামত খুঁজে যেকোনো একটা ব্র‍্যান্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। তবে ইদানীং বেশ অনেকগুলো ব্র‍্যান্ডের স্যানিটারি ন্যাপকিনে ছোট ছোট সাদা পোকা, পিপড়া,এমনকি টিকটিকি পাওয়া গেছে এবং পরিষ্কার থাকেনা। পোকা যোনিপথে প্রবেশ করে মারাত্নক সমস্যা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে। তাই অবশ্যই খোঁজ খবর নিয়ে ভালো পণ্য ব্যবহার করতে হবে এবং অবশ্যই প্রত্যেকবার পরিবর্তন করার সময় প্যাড চেক করে নিতে হবে।

৩-প্যাড একদম পরিষ্কার থাকলেও সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে। ব্লিডিং বেশি হলে আরো আগে পরিবর্তন করতে হবে। বেশি সময় প্যাড ব্যবহার করলে উষ্ণ আর স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা পেয়ে vaginal organisms বা অনুজীবগুলো সংখ্যা বৃদ্ধি শুরু করে এতে UTI(Urinary Tract Infection),Vaginal infection, skin rash etc হতে পারে।

৪-কেউ ট্যাম্পন ব্যবহার করলে বা ম্যান্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ দুই ঘন্টা ব্যবহার করা যাবে। ট্যাম্পন বেশিক্ষন যোনিপথে রেখে দিলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে একটা পরিবেশ তৈরী হয় যাকে TSS(Toxic Shock Syndrome) বলে। এতে ভয়ানক সংক্রমন হয়ে শরীর শকে চলে যায়,এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

৫-প্রতিদিন অবশ্যই একবার আন্ডারওয়্যার চেঞ্জ করতে হবে,প্যাড চেঞ্জ করার সময় বাইরের চারপাশের ব্লাড পরিষ্কার করতে হবে ঠিকভাবে সাবান আর কুসুম গরম বা নরমাল পানি দিয়ে যাতে ইনফেকশন না হয় তবে কোন সাবান বা ভ্যাজাইনাল ক্লিনিং প্রোডাক্ট ভ্যাজাইনা বা ভালবাতে ইউজ করা যাবেনা। ভ্যাজাইনা এর নিজের ক্লিনিং ম্যাকানিজম আছে যা ভালো এবং খারাপ ব্যাকটেরিয়া এর জন্য আলাদা। বাইরের পণ্য ব্যবহার করলে ভালো ব্যাকটেরিয়া গুলো মারা যেতে পারে, এতে সংক্রমনের সুযোগ বেড়ে যায়। Undergarment ভালো করে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুতে হবে যাতে রক্ত লেগে না থাকে এবং অধিক সতর্কতা হিসেবে রোদে শুকানোর ব্যবস্থা করতে হবে যাতে microorganisms বা অনুজীব রয়ে গেলে মারা যায়।

৬-সবসময় ভ্যাজাইনা থেকে এনাসের দিকে টিস্যু বা হাত দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।এটা হচ্ছে সঠিক পদ্ধতি এবং ছেলেমেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে উল্টো দিকে করলে anus বা মলাশয়ের ব্যাকটেরিয়া ভ্যাজাইনাতে প্রবেশ করে সংক্রমনের আশংকা থাকে।

৭- প্যাডের রক্ত ভালোভাবে পরিষ্কার করে দুর্গন্ধ এড়াতে টিস্যু বা বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ ব্যবহার করে ঢেকে নিতে  হবে যাতে পরিবেশবান্ধব হয় এবং বসতবাড়ি থেকে দুরে পরিত্যাগের  ব্যবস্থা করতে হবে।

৮-প্রতিদিন গোসল করার চেষ্টা করতে হবে। বেশি ব্লিডিং এর কারনে জায়গা ভেজা থাকায় “প্যাড র‍্যাশ” নামক সমস্যা দেখা দিতে পারে। উরুতে সাধারণত হয় এটা,সেক্ষেত্রে ঘন ঘন প্যাড চেঞ্জ করতে হবে,প্রয়োজনে গোসলের পরে আর রাতে ঘুমানোর সময় এন্টিস্যাপ্টিক অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্লিডিং অনিয়ন্ত্রিতভাবে হলে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে,নাহলে এ থেকে এনেমিয়া বা “রক্তশূন্যতা “ দেখা দিতে পারে, যা মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিবে।

৯-যেকোন একটা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।হয় একটা প্যাড বা একটা ট্যাম্পন। অনেক সময় বেশিক্ষণ টিকায় রাখতে (লং জার্নি, মিটিং,অনুষ্ঠান ইত্যাদি) এর জন্য প্যাড+কাপড়,দুইটা প্যাড বা প্যাড+ ট্যাম্পন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটা সাময়িক সমাধান দেয় তবে আগামীতে র‍্যাশেস,ইনফেকশন,খিটখিটে মেজাজ এমনকি TSS(Toxic Shock Syndrome) ঘটাতে পারে।

১০-বাইরে গেলে অতিরিক্ত প্যাড নেয়ার সময় অবশ্যই পরিস্কার পাউচ বা ব্যাগ ইউজ করতে হবে। পরিস্কার ব্যাগে বহন না করলে ওই প্যাড ব্যবহারে UTI, vaginal infection, rashes হতে পারে।

১১-তুলা,কাপড়,টয়লেট টিস্যু ব্যবহার করা যাবেনা। এগুলোর অপরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা থাকে,তাছাড়া শোষণ ক্ষমতা একদম নেই বললেই চলে,অতএব ইনফেকশনসহ বিভিন্ন ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়।

১১- প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। সাথে খাবার-দাবারে সচেতন হতে হবে।পিরিয়ডকালীন সাধারণত আমরা সব খাবারই খাই আর যা খাইনা তা আগের যুগের কুসংস্কার অনুসরণ করে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে যে,মাসিকের সময় ঘাম,মুড সুইং,ভমিটিং,দুর্বলতা, মাথাব্যাথা, হজমশক্তি এর সমস্যা, পা ব্যথা,তল্পেটের অতিরিক্ত ব্যাথা,অস্থিরতা ইত্যাদি সমস্যার পেছনে খাবারের অনেকটুকু ভূমিকা আছে। মানুষের গঠন,পরিবেশগত,জিনগত,অভ্যাসগত কারণে কিছু রেস্ট্রিকটেড খাবারেও সমস্যা না থাকতে পারে আবার বিভিন্ন ব্যাক্তিগত কারন যেমন এলার্জি বা অন্য কারণে যেসব খাবার খাওয়া দরকার তা নাও খেতে পারে। সেক্ষেত্রে নিজে থেকে বা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে একটা সঠিক খাদ্যাভাস মেনে চলতে হবে।

সাধারণত কি কি খাওয়া যাবেনা? 

১-এলকোহলঃসাময়িক ব্যাথা দূর করতে খেলেও আগামিতে এটি এস্ট্রোজেন লেভেল শরীরে বাড়িয়ে দিবে যা অনিয়মিত পিরিয়ড এর সমস্যা তৈরি করবে। তাছাড়া শরীরে পানি ধারন ক্ষমতা বাড়িয়ে দিবে এবং বিভিন্ন রোগ হবে।

২-ক্যাফেইনেটেড প্রোডাক্টঃ চা,কফি ইত্যাদি ব্লাড প্রেশার,উত্তেজনা,হার্ট রেইট বাড়িয়ে দেয়।

৩-প্রোসেসড আর ফ্রাইড খাবার যেমন ফ্রোজেন ফুড,আচার,চিপ্স ইত্যাদিতে ট্রান্স ফ্যাটস(Trans fats) বা হাইড্রোজিনেটেড ভেইজিটেবিল ওয়েল(Hydrogenated vegetable oil)থাকায় এস্ট্রোজেন লেভেল বাড়িয়ে দেয়, এতে মুড সুইং বেড়ে যায়।

৪-অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার স্টোমাক গ্যাস তৈরি করে। মাসিকের সময় স্কিন এমনিতেইব্যাথা দূর  সেন্সিটিভ থাকে। এসব খাবার আরো ড্রাই আর ডিহাইড্রেটেড করে ফেলে স্কিনকে।

৫-দই (ক্যালসিয়াম থাকে)ছাড়া বাকি ডেইরি প্রোডাক্টে যেমন পনির,ক্রিম,দুধে সাধারণত এরাকিডনিক এসিড(Arachidonic acid) থাকায় ম্যান্সট্রুয়াল ক্রাম্পস বা খিচুনি এর সমস্যা তৈরি করে।সেক্ষেত্রে বাটার মিল্ক,টোনড মিল্ক,কাজুবাদাম খাওয়া যেতে পারে।

৬-অতিরিক্ত লবনাক্ত খাবার যেমন ক্যানড ফুড,স্যুপ,বেকন খাওয়া উচিত না।মাসিকের সময় হরমোনগুলো সাধারণত শরীরে পানি ধরে রাখে,এগুলো খেলে শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে গ্যাস,ব্লটিং ইত্যাদি হতে পারে।

কি কি খাওয়া উচিতঃ

১-প্রচুর পরিমাণ পানি এবং আপনার শরীরে সাইড ইফেক্টস তৈরী করে না এমন অন্যান্য ন্যাচারাল পানীয় যেমন ডাবের পানি, বিভিন্ন ফলের জুস বিশেষ করে তরমুজের শরবত(ভিটামিনস আর নিউট্রিয়েন্টস দুর্বলতা আর ক্লান্তি দূর করে),কমলা আর লেবুর শরবত ( ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন সি,ডি দীর্ঘস্থায়ী ব্যাথা দূর করে) খাওয়া যেতে পারে।

২-বিভিন্ন ধরনের সবুজ আর লাল শাকসবজি ক্যালসিয়াম আর আয়রনের ঘাটতি দূর করে।এছাড়া সালাদ খাওয়া যেতে পারে হাইড্রেটেড থাকার জন্য।

৩-রিফাইন্ড খাদ্যশস্যতে কন্সটিপেশন,ব্লটিং ইত্যাদি হতে পারে সেক্ষেত্রে রুটি,ব্রাউন রাইস,ওটস,ব্রেড,ডাল,কম চর্বিযুক্ত বা চর্বিহীন মাংস খাওয়া যেতে পারে।এগুলোতে ভিটামিন বি এবং ই থাকে যা পিরিয়ডকালীন ডিপ্রেশন আর দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

৫-বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়া যেতে পারে যেমন কলাতে পটাশিয়াম, বি৬ ভিটামিন থাকায় শরীরের পানি ধারন ক্ষমতা কমিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দূর করে এবং অন্ত্র আন্দোলন বা bowel movement নিয়ন্ত্রণ করে।

৪-খুশির বিষয় হচ্ছে এসময় ডার্ক চকলেট খেতে পারবেন যত ইচ্ছা। কম চিনিযুক্ত, প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আর মিনারেলস থাকায় ডার্ক চকলেট শরীরে সেরোটোনিন লেভেল কন্ট্রোল করতে পারে,তাই মন-মেজাজ ভালো থাকে।

তাছাড়া আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে পিরিয়ডের সময় বেশি চলাফেরা করা,খেলাধুলা করা,রোদে বের হওয়া,লং জার্নি করা উচিত না। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলেন সবকিছু স্বাভাবিকভাবে করা উচিত,অলস বসে থাকলে বরং বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।এমনকি খিচুনি আর ব্যাথা কমাতে তলপেটে বেশি প্রেশার না দিয়ে হালকা কার্ডিও ব্যায়াম,ইয়োগা,হাটাঁ ইত্যাদি করা উচিত। 

ওপরের সব কথা বা সমস্যা সব মেয়ের সাথে মিলে যাবে এমন না। সবার শারীরিক আর মানসিক গঠন ভিন্ন,অতএব সমস্যা, খাদ্যাভ্যাস, চলাচল ভিন্ন। কিন্তু কথা একটাই সচেতন থাকতে হবে। নিজের সম্পুর্ন খেয়াল রাখতে হবে।তবে এটা কোন রোগ নয় সুতরাং স্বাভাবিক জীবন্-যাপন করতে হবে।কোনো ধরনের অনিয়ম দেখলে বা সমস্যা হলে ডাক্তার দেখাতে হবে। সাময়িক হেলাফেলা ভবিষ্যতে অনেক বড় বড় সমস্যা, রোগ এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে। সুস্থ থাকুন। সচেতন থাকুন।


  • সৈয়দা লুবাবা ইসলাম মুনতাহা
    শিক্ষার্থী, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগ
    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

তথ্যসূত্রঃ 

1.https://www.plannedparenthood.org/learn/health-and-wellness/menstruation

2.https://helloclue.com/articles/cycle-a-z/what-is-period-menstruation-101

3.https://www.bebeautiful.in/lifestyle/health-and-fitness/8-foods-to-avoid-during-your-period?amp

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button