FeatureWomen and Children

অসুস্থতার বয়স

নাবিলা রব

বিশাল এই  পৃথিবীতে জন্ম মৃত্যুর খেলা প্রতিনিয়ত চলছে।এই জন্মগ্রহণ করা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি অংশকে যদি চারটি ধাপে ভাগ করা যায় তাহলে চারটি ধাপ হবে- শৈশব, কৈশোর, প্রাপ্তবয়স্ক এবং বৃদ্ধ পর্যায়। এই চারটি ধাপ পরিপূর্ণ করার আগে অনেকেই আবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তবে আর যাই হোক জীবনের চারটি ধাপ এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে যখন কোনো ছেলে বা মেয়ে শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পদার্পণ করে । এসময় ছেলে এবং মেয়ে উভয় বিভিন্ন ধরনের অস্বস্তির সম্মুখীন হয় এবং এই অসস্তির মাত্রা নির্ভর করে কত তাড়াতাড়ি পরিবর্তনগুলি হচ্ছে তার উপর এবং শৈশবের শেষভাগ থেকে আরম্ভ হবার সময় পর্যন্ত তার স্বাস্থ্য কেমন ছিল তার উপর। অনেকেই এই সময়কে অসুস্থতার বয়স হিসেবে চিহ্নিত করেন। তবে এটা অবশ্যই বাচ্চাদের জ্বর সর্দি-কাশি এর উপর নির্ভর করে নয়। 

  • এই সময়ে ছেলে বাচ্চাদের চেয়ে মেয়ে বাচ্চারা অনেক বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয় এ সময়ে দৈহিক পরিবর্তনগুলো মেয়েদের মানসিক ভাবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। 
  • এই নেতিবাচক পর্যায়ের সব মেয়েদের মধ্যে একই ধরনের মনোভাব ও আচরণের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে । এ ধারাবাহিকতা যৌন পরিপক্কতা অর্জন করা না করা পর্যন্ত দেখা যায়। 
  • এ সময় মেয়েরা একাকী থাকতে পছন্দ করে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সাথে ঝগড়াও করতে পারে ।
  •  এই সময়ে মেয়েদের আচরণে অভ্যাস অভ্যাস ধারায় অসঙ্গতি দেখা দেয় এবং বিশৃঙ্খলা আচরণ করে । 
  • এ সময় মেয়েরা একে অপরকে অসহযোগিতা করে তাদের মতামত ও ভিন্নতা দেখা দেয় এবং প্রতিদ্বন্দিতা দেখা দেয় ।
  • এ সময় মেয়েরা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি হিংসা সমালোচনা এবং পরস্পরের প্রতি অপমানজনক মন্তব্য করতে ভালোবাসে এবং করে ।
  • এ সময় মেয়েরা অতিরিক্ত লাজুক হয়ে পড়ে ।
  • শৈশবের প্রথমভাগে অনেক আত্মবিশ্বাস থাকা শিশুরাও এ বয়সে পৌঁছে আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি হারিয়ে ফেলে ।
  • এই সময়ে মেয়েরা সাজগোজ করতে পছন্দ করে, তাদের মন হয়ে যায় উরু উরু , বড়দের শাসন মানতে চায় না স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে চায়।
  • কৈশোরকালীন সময়ে মেয়েদের অপর্যাপ্ত পুষ্টির কারণে অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • আয়রনের অভাবে কৈশোরকালীন শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি বিলম্বিত হতে পারে।
  • কিশোর বয়সে গর্ভ ধারণ করলে মা ও শিশুর উভয়ের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পরে

নাবিলা রব

জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগ

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button