Medical Science

আলঝেইমার রোগ কি?

১৯০৬ সালের ৩ নভেম্বর তারিখে জার্মান ডাক্তার অ্যালোস আলঝেইমার একজন বৃদ্ধ মহিলার মস্তিষ্কের টিস্যুতে  কিছু অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন লক্ষ করেন যিনি কিনা একটি অজানা মানসিক রোগে মারা যান। মহিলার মধ্যে রোগের যেসব লক্ষন দেখা দিয়েছিল সেগুলো হলঃ স্মৃতিলোপ, ভাষাগত সমস্যা এবং অপ্রত্যাশিত আচার আচরণ। তার মৃত্যুর পর ডাক্তার আলঝেইমার তার মস্তিষ্কে কিছু অস্বাভাবিক ক্লাম্পস বা গুচ্ছ ( বর্তমানে অ্যামাইলয়েড প্লাকু    বলা হয় ) এবং কিছু অস্বাভাবিক জটলা ( বর্তমানে নিউরোফিব্রিলারি বলা হয় ) খুঁজে পান। পরবর্তীতে ডাক্তার আলঝেইমার এর নামানুসারে এই অজানা রোগটির নামকরণ করা হয় আলঝেইমার। মস্তিষ্কের এই অস্বাভাবিক   জটলা এবং ক্লাম্পস গুলো এই রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরা হয়। এটি মূলত একটি নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ যা খুব ধীরে ধীরে প্রকটিত হয় এবং ক্রমান্বয়ে খারাপ এর দিকে যায়। এ রোগে আক্রান্ত প্রায় ৬০-৭০ ভাগ মানুষ স্মৃতিলোপজনিত সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক কোন ঘটনা ভুলে যাওয়া। রোগ এর অগ্রগতির সাথে সাথে ধীরে ধীরে ভাষাগত সমস্যা, মানসিক বিভ্রান্তি, মেজাজ উঠা-নামা, হতাশা, আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে থাকে। ক্রমান্বয়ে শারীরিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে মৃত্যুর দিকে এগুতে থাকে। 

অ্যালোস আলঝেইমার 

আলঝেইমার রোগের কারণ এখনো পর্যন্ত অস্পষ্ট। তবে কিছু পরিবেশগত এবং জিনগত ফ্যাক্টর কে দায়ী করা হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে সবচাইতে প্রভাবশালী জিন ফ্যাক্টরটির অবস্থান এপিওই(APOE) অ্যালিল এ। অন্যান্য  ফ্যাক্টর হিসেবে বলা যায় মাথায় আঘাত পেলে, ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন, উচ্চ রক্তচাপ প্রভৃতি। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল মস্তিষ্কে অ্যামালয়েড প্লাকু, নিউরোফিব্রিলারি এবং নিউরন বা স্নায়ুকোষ গুলোর মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঘটা। ২০১৫ সালের তথ্যমতে পুরো বিশ্বে প্রায় ২৯.৮ মিলিয়ন লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ষাট বছরের বেশি বয়স্ক মানুষ আলঝেইমায় ভোগেন এবং প্রায় ১০ ভাগ লোক ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সে এই রোগে ভোগেন। 

লক্ষণ উপসর্গঃ

শুরু থেকে চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছানো পর্যন্ত এর লক্ষণ সমূহকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়। যথা প্রারম্ভিক, মধ্যম এবং বিলম্বিত। প্রথম দিকে মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস এ ক্ষতি হওয়া শুরু হয়। মস্তিষ্কের এই অংশটি স্মৃতি সংরক্ষণ এর সাথে জড়িত। সে জন্যে আলঝেইমার একটা সাধারণ লক্ষণ হলো স্মৃতি লোপ পাওয়া।   

প্রাথমিক লক্ষণ সমূহ:

  • রোগ নির্ণয়ের প্রায় আট বছর আগ পর্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিক কিছু সমস্যা দেখা দেয়। যেমন শর্ট টাইম মেমরি লস। তখন আক্রান্ত ব্যক্তি কিছুক্ষণ আগে জানা কোন তথ্য ভুলে যায় এবং নতুন তথ্য শিখতেও সমস্যায় পড়েন। দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন জটিল কাজকর্ম সম্পাদনেও অসমর্থ হয়ে থাকেন।
  • এছাড়া মনোযোগ এর অভাব, সঠিক পরিকল্পনা করতে অসমর্থ হওয়া, মানসিক চিন্তার নমনীয়তা হারানো, কোন ভাবার্থমূলক স্মৃতি মনে না রাখতে পারা, সৃজনি ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া এইসব লক্ষণ রোগের প্রথম দিকে লক্ষ্য করা যায়। 
  • হতাশা এবং উদাসীনতায় ভোগা আলঝেইমার একটি সাধারণ লক্ষণ।    

প্রারম্ভিক পর্যায়ঃ

শেখার ক্ষমতা হ্রাস এবং স্মৃতিলোপ আলঝেইমার  শনাক্তকরণে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। আলঝাইমায় আক্রান্ত রোগীরা সকল ধরনের স্মৃতি হারানো সমস্যায় ভোগেন না। পুরাতন স্মৃতি বা শেখা তথ্য এর চাইতে নতুন কোন স্মৃতি বা শেখা তথ্য মনে রাখা আরও কঠিন হয়।

এছাড়া কিছু শতাংশ লোকেরা ভাষাগত জতিলতায় ভোগেন। যেমন ব্যবহারের জন্যে সঠিক শব্দ খুঁজে না পাওয়া কিংবা শব্দের সাবলীলতা হ্রাস পায়। ফলে তারা প্রায়শই কথা বলার সময় কিংবা লেখার সময় সমস্যায় পড়েন।

ছবিসূত্রঃ উইকিপিডিয়া  

মাঝামাঝি পর্যায়ঃ  

এই পর্যায়ে রোগীরা দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ কাজই নিজেরা একা একা সম্পাদন করতে পারে না। তাদের অন্যের উপর নির্ভর করতে হয়। ভাষাগত জটিলতা বেড়ে যায়। ফলে মনের ভাব প্রকাশে সমস্যায় ভোগেন। সঠিক শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না। যাকে পযারাফেসিয়াস বলা হয়। পড়া এবং লেখার দক্ষতা ক্রমে হারিয়ে ফেলেন। এই পর্যায়ে স্মৃতি লোপ এর সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছায় এবং রোগী তার নিকট আত্মীয়দের চিনতে পারেন না। 

আচরণগত এবং স্নায়ুগত জটিলটা ক্রমশ বাড়তে থাকে। মেজাজ খিটখিটে, বিরক্তি, রেগে যাওয়া, আবেগিক নিয়ন্ত্রণ হারানো, কান্না করা এসব লক্ষণ দেখা যায়। ঘুমের মধ্যে বিছানায় মুত্রত্যাগ করার মতো বিরক্তিকর লক্ষণ প্রকাশ পায়। এইসবই ঘরের অন্যান্যদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অনেকেই আলঝেইমার ভোগা রোগীকে ঘরের বাইরে কোন ক্লিনিকে ভর্তি করিয়ে রাখেন।  

আলঝেইমার মস্তিষ্কের টেমপোরাল লোব এর ক্ষতি সাধন করে। ছবি সুত্রঃ American Journal of Neuroradiology.

চূড়ান্ত পর্যায়ঃ

এটি আলঝেইমার গুরুতর পর্যায়। এ পর্যায়ে রোগী সম্পূর্ণভাবে অন্যের সহায়তার উপর নির্ভর হয়ে পড়ে। খুব বড় জোর একটা শব্দ কিংবা একটি দুইটি শব্দ গুচ্ছ ছাড়া মুখের ভাষা বলতে আর কিছুই থাকে না। কেউ কেউ একেবারেই কথা বলার সামর্থ্য হারান। মৌখিক ভাষা হারিয়ে ফেললেও কেউ কেউ অন্যের কথা বোঝতে পারে এবং আবেগিক সাড়া প্রদানের চেষ্টা করে। আলঝেইমার রোগীরা একদম সরল প্রকৃতির কাজ করারও সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এমনকি কীভাবে খাবার গ্রহণ করতে হয় সেটাও। ফলস্বরূপ অন্য নানা ধরনের রোগ এর বাসা বাঁধে শরীর এ। পরিশেষে এরা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান।  

আলঝেইমার কারণঃ   

মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক ভাবে অ্যামালয়েড বেটা এবং টাও প্রোটিন বেড়ে গেলে আলঝাইমার রোগ হয় বলে জানা হয়। অ্যামালয়েড বেটা হচ্ছে ৩৬-৪৩ অ্যামাইনো এসিড বিশিষ্ট পেপটাইড অণু যা মস্তিষ্কে অ্যামালয়েড প্লাকু তৈরি করে। আর ৬ টি প্রোটিন এর সমন্বয়ে গঠিত একটা প্রোটিন গ্রুপ হল টাও প্রোটিন যা মস্তিষ্কে  নিউরোফিব্রিলারি তৈরি করে। এই দুই অস্বাভাবিকতা মস্তিষ্কের স্নায়ুবিক কার্যক্রম এ বাধা তৈরি করে। ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে থাকে। 

প্রকৃতপক্ষে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আলঝাইমার রোগের কারণ এখনো অস্পষ্ট। তবে ১ থেকে ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে কিছু জিনগত কারণ ধরা পড়ে। এ সংক্রান্ত কিছু হাইপোথিসিস রয়েছে। 

জিনগত হাইপোথিসিসঃ 

কেবল ১-২ শতাংশ ক্ষেত্রে আলঝাইমা বংশগত হয়ে থাকে। এই প্রকৃতির আলঝাইমা কে বলা হয় আরলি অনসেট ফেমিলিলাল আলঝেইমার ডিজিজ( early onset familial Alzheimer’s disease )বা পারিবারিক আলঝেইমার     

অ্যামাইলয়েড প্লাকু। ছবি সুত্রঃ সায়েন্টিফিক এমিরিকান ডট কম।

রোগ। তিনটি জিন এ মিউটেশান বা পরিবৃত্তি ঘটার কারণে এই ধরণের আলঝাইমার হয়ে থাকে। এর মধ্যে একটি জিন অ্যামালয়েড বেটা তৈরি করে থাকে আর বাকি দুইটি হল  PSEN1 এবং  PSEN2। এই জিনগুলোতে পরিবৃত্তি ঘটার কারণে মস্তিষ্কে অ্যামালয়েড বেটা অস্বাভাবভিকি ভাবে তৈরি হতে থাকে। 

তবে অধিকাংশ আলঝাইমার ই বংশগত নয়। এ জাতের আলঝাইমার কে বলা হয় স্পোরাডিক এডি ( sporadic AD )। এই ক্ষেত্রে কিছু পরিবেশগত এবং জিনগত ফ্যাক্টর বিপজ্জনক বা রিস্ক ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই জাতের আলঝাইমা ৬৫ বছরের পর দেখা দেয়। APOEε4 এখানে শক্তিশালী জিন ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। APOEε4 অ্যালিলটি আলঝাইমার ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। টিআরইএম২ (TREM2) জিন এর কারণে শ্বেত রক্তকণিকার অ্যমালয়েড বেটা তৈরি নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে আলঝাইমার ঝুঁকি ৩-৫ গুণ বেড়ে যায়। 

ওসাকা পরিবৃত্তিঃ 

অ্যমালয়েড বেটা পেপটাইড প্রিকারসর ( APP ) এর ৬৯৩ নং কোডন টি ডিলিট বা বাদ হয়ে গেলে আলঝেইমার  দেখা দেয়। এটি মূলত জাপানিজ বংশগত আলঝাইমার রোগ। এবং এ ধরণের পরিবৃত্তি কে বলা হয় ওসাকা মিউটেশন বা ওসাকা পরিবৃত্তি। এর ফলে এপিপি প্রোটিন এ অ্যা-বেটা অলিগোমারাইজেশান ঘটে। অ্যা-বেটা অলিগোমারাইজেশান আলঝেইমার রোগ সৃষ্টি করে। তবে এখানে কোন অ্যমালয়েড প্লাকু গঠিত হয় না। 

আলঝেইমার প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ   

আলঝেইমার প্রতিরোধের জন্যে এখনো চিকিৎসাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট কোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। তবে রোগত্তত্ব বিশ্লেষণ করে গবেষকরা কিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থার কথা বলেন। 

খাদ্যসংযম অভ্যাসঃ  

যাদের খাদ্যতালিকায় সম্পৃক্ত স্নেহ এবং সরল শর্করা যুক্ত খাদ্য এর পরিমাণ বেশি তাদের আলঝেইমার ঝুঁকি বেশি। রক্তে অতিমাত্রায় শর্করা স্নায়ুকোষ এর ক্ষতি সাধন করে এবং স্মৃতি লোপজনিত সমস্যা বাড়ায়। খাবারে অসম্পৃক্ত স্নেহ, ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভনয়েডস, ভিটামিন বি, ভিটামিন ডি আলঝাইমার ঝুঁকি কমায়। মেডিটেরিয়ান ডায়েট এবং ড্যাশ ডায়েট এই ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী।  

ঔষধ সেবনঃ 

হৃদরোগ এর ঝুঁকি বাড়ায় এমন কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর যেমন হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং ধূমপান আলঝেইমার ঝুঁকি বাড়ায়। একটা গবেষণা বলে যে স্ট্যাটিনস যুক্ত ঔষধ যা কিনা কোলেস্টেরোল কমাতে ব্যবহৃত হয় আলঝেইমার ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন যাবত নন-স্টেরয়েডাল জাতীয় ঔষধ সেবনও আলঝাইমার ঝুঁকি কমায় বলে ভাবা হত।

জীবনধারাঃ 

বিভিন্ন গবেষণা এমনটা বলে যে শিক্ষা এবং পেশাগত সফলতা আলঝেইমার ঝুঁকি কমায় কিংবা রোগ লক্ষণ প্রকাশ বিলম্বিত করে। শারিরিক ব্যায়াম আলঝেইমার ঝুঁকি কমায় এবং স্মৃতি লোপ জনিত সমস্যা দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।   

প্রতিকারঃ 

দাবা খেলা আলঝাইমার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হয়

এখনো পর্যন্ত আলঝেইমার এর কোন প্রতিকার ব্যবস্থা চিকিৎসা শাস্ত্রে নেই। মানসিক যত্ন, সঠিক নার্সিং এবং কিছু ঔষধ সেবনের মাধ্যমে আলঝেইমার এর লক্ষণ গুলো উপশম পর্যায়ে থাকে।  এসিটাইলকোলিনস্ট্রেস ইনহিবিটার (ট্যাক্রাইন, রিভাসটগমাইন, গ্যালানটামাইন এবং ডোডপিজিল), মেমন্তাইন প্রভৃতি মানসিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষুধ এ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।  

মস্তিষ্কের নিউরন বা স্নায়ুকোষ গুলোর ছন্দায়িত হবার সাথে ভালো স্মৃতি মনে রাখার একটা সম্পর্ক রয়েছে। ছবি সুত্রঃ সায়েন্টিফিক এমেরিকান ডট কম। 

আলঝেইমার রোগটি আরো গভীর এ জানতে এবং এর প্রতিকারে প্রতিনিয়ত গবেষণা চলছে। মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজি এর গবেষক ম্যাথিউস ভিক্টর এবং তার গবেষণা দল কিছু বছর পূর্বে এমনি একটি গবেষণা করেন। তারা ইঁদুরের মস্তিষ্কে প্রতি সেকেন্ডে ৪০ টি শব্দ তরঙ্গ প্রেরণ করে দেখেন ইঁদুর গুলো তখন আগের তুলনায় বেশি স্মৃতি মনে রাখতে পারছে। এখানে উল্লেখ্য যে ইঁদুর গুলো আলঝাইমায় আক্রান্ত ছিল। এবং সেই সাথে ইঁদুর গুলোর মস্তিষ্কের কিছু অ্যামালয়েড প্লাকুর  পরিমাণ কমে এসেছিল। এর পূর্বে গবেষকরা একই সাথে আলো এবং শব্দ তরঙ্গ প্রেরণ করেও একই ফলাফল পেয়েছেন। মানুষ এবং ইঁদুর এর মস্তিষ্কের নিউরন বা স্নায়ুকোষ গুলোর ছন্দায়িত হবার সাথে ভালো স্মৃতি মনে রাখার একটা সম্পর্ক রয়েছে। আলঝাইমার রোগ এর চিকিৎসায় এই গবেষণা একটা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, এমনটাই বলেন ম্যাথিউস ভিক্টর। আশা করছি বিজ্ঞানের কল্যাণে আলঝাইমার একদিন প্রতিকার করা সম্ভব হবে।    

Inside Alzheimer’s disease
আলঝেইমার ডিজিজ সম্পর্কে আরো জানতে ভিডিওটি সহায়ক হবে।   

নামঃ সুজয় কুমার দাশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণ রসায়ন এবং অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগে ২য় বর্ষে পড়াশোনা করছি। 

তথ্যসুত্রঃ 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button